Pages

Friday, January 26, 2024

ক্যানভা প্রো ফ্রিতে নিন আমাদের টিমে জয়েন করে

 

যারা ক্যানভা প্রো ফ্রিতে নিতে চান তারা আমার পুরো লেখাটা ভালো করে পড়বেন ।

যারা জানেন না ক্যানভা কি?
ক্যানভা ডিজাইন কি? 

যদিও ধরে নিচ্ছি আপনারা এর সম্পর্কে পূর্বের আর্টিকেলটি পড়ে ইতোমধ্যে মোটামুটি ধারণা নিয়ে ফেলেছেন। তাও আবার বলছি, “ক্যানভা হলো অনলাইনের মাধ্যমে ইনফোগ্রাফিক্স, গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং যাবতীয় পোস্টিং ডিজাইন করার একটি উন্মুক্ত বিদেশি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে আপনি একাউন্ট খোলার মাধ্যমে নিজের ইচ্ছেমতো টুলস ও ক্যাটাগরি ব্যবহারের দ্বারা সেগুলোকে ডিজাইন করে বিনামূল্যে ডাউনলোড করতে পারার একটি সফটওয়্যার বা অ্যাপ।

আরো পড়ুনঃ ক্যানভা ডিজাইন শিখে কিভাবে অনলাইনে আয় করবেন।

ক্যানভা দিয়ে কি গ্রাফিক্স ডিজাইন করা যায়?

তার উত্তর হলো – হ্যাঁ, করা যায়। অনেক ফ্রিল্যান্সার এবং ডিজাইনাররা আছেন যারা ক্যানভা দিয়ে ডিজাইন করে থাকেন। এমনকি তারা এই ক্যানভার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ইমেজ ও টেমপ্লেট তৈরি করে সেটাকে ফেসবুক এবং ইউটিউবেও ব্যবহার করে থাকেন।

আপনি চাইলে যেকোনো ধরণের পোস্ট ডিজাইন করতে পারবেন, যেমনঃ ফেসবুক পোস্ট, ইন্সটাগ্রাম পোস্ট, টুইটার পোস্ট, লিঙ্কডইন পোস্ট, ভিডিও পোস্ট সহ আরোও অসংখ্য রকমের ডিজাইন।

ক্যানভার ফ্রী ফিচারসে কি কি আছে?

ক্যানভার ফ্রী ভার্সনে সব ধরণের ক্যাটাগরিই আছে, যেমন – টেমপ্লেট, এলিমেন্টস, আপলোডস, ফটোস, ভিডিওস, ব্যাকগ্রাউন্ড সহ আরো অনেক গুলো মেজর ফিচারস আছে যেগুলো আমরা বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারি।

ক্যানভার প্রো ফিচারসে কি কি আছে? এমনিতে ফ্রী ক্যানভাতে যা যা আছে প্রো ক্যানভাতে তা ই আছে, শুধু কিছু কিছু নতুন ফিচারস যুক্ত হয়েছে, যেগুলো ফ্রী ভার্সনে ছিলো না। তাদের মধ্যে একটা হলো “ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভার” অপশন।

“ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভার” অপশনটি আপনি আপলোডস ক্যাটাগরিতে ক্লিক করলেই পেয়ে যাবেন। এখানে আপনি যেকোনো ছবি আপলোড করে সে ছবিকে সাদা ক্যানভাসে নিয়ে তার ব্যাকগ্রাউন্ড মুছে ফেলতে পারবেন এবং অনেক ধরণের ফিল্টার ব্যবহার করতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ কিভাবে অনলাইনে আয় করবেন।

তাছাড়া ক্যানভার বাম দিকে সাইড প্যানেলে মোর ক্যাটাগরি তেও আরোও কিছু অপশন চালু হয়ে যাবে যেগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি প্রো লেভেলের ডিজাইনার হয়ে উঠতে পারবেন।

এই ক্যানভা প্রো ভার্সন টি মূলত টাকা দিয়ে কিনে নিতে হয় বিধায় অনেকেই প্রো ভার্সনটি ব্যবহার করে না। যতটুকু সম্ভব ফ্রী ভার্সন দিয়েই কাজ চালিয়ে নেয়ার চেষ্ঠা করে। কিন্তু আপনি কিভাবে একদম বিনামূল্যে ক্যানভার প্রো ভার্সন পেয়ে যেতে পারেন শুধুমাত্র কিছু ট্রিক্স ব্যবহারের মাধ্যমে, সেই ট্রিক্স সম্পর্কে আরেকদিন ফ্রীতে ক্যানভার প্রো ভার্সন কিভাবে পাবো এই আর্টিকেলে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করবো।

ক্যানভা প্রো ভার্সন নিতে আপনাদের আমি কিছু ফ্রি ইনভাইটেশন লিঙ্ক দিবো ।

এখানে ইনভাইটেশন লিংক দিয়েছি লিঙ্ককে ক্লিক করে টিমে জয়েন করবেন । 

আপনি র‍্যানডম লিঙ্ক গুলা দিয়ে আমাদের টিমে জয়েন করে প্রো ভার্সন ব্যবহার করতে পারবেন ।

CANVA PRO EDU INVITATION LINK:

 Link 1 : https://www.canva.com/brand/join?token=aFFUZ1LTYvd7LMLQdObX-A&brandingVariant=edu&referrer=team-invite


 Link 2 : https://www.canva.com/brand/join?token=HP7zfHygTmiHxjmY9ppAjQ&brandingVariant=edu&referrer=team-invite


 Link 3 : https://www.canva.com/brand/join?token=HP7zfHygTmiHxjmY3ppAjQ&brandingVariant=edu&referrer=team-invite


 Link 4 : https://www.canva.com/brand/join?token=aFFUZ1LTYvd7LMLQdObX-A&brandingVariant=edu&referrer=team-invite

 Link 5 : https://www.canva.com/brand/join?token=aFFUZ1LTYvd7LMLQdObX-A&brandingVariant=edu&referrer=team-invite

 Link 6 : https://www.canva.com/brand/join?token=aFFUZ1LTYvd7LMLQdObX-A&brandingVariant=edu&referrer=team-invite





এছাড়াও ক্যানভা প্রো এর ব্যবহার বা কোন সাহায্য প্রোয়জন হলে আমাদের সাপোর্ট গ্রুপে জয়েন করুন

জয়েন ক্যানভা প্রো সাপোর্ট গুরুপ





CANVA দিয়ে কি কাজ করা যায় এবং অনলাইন ইনকাম


ক্যানভা ডিজাইন কি?

 আয় করুন প্রতিদিন

(পার্ট ১) এর মধ্যে আমরা আলোচনা করেছিলাম কিভাবে ক্যানভা একাউন্ট খুলতে হয় এবং একাউন্ট খোলার পর ক্যানভার বিভিন্ন টুলসের এর ব্যবহার কিভাবে করতে হয় সেই সম্পর্কে।

যদিও সেখানে ক্যানভা দিয়ে আরোও কি কি করা যায় সে সম্পর্কে বলার কথা ছিলো কিন্তু আর্টিকেল বড় হয়ে যাওয়া্র কারনে এটাকে দুটো পার্টে ভাগ করতে হয়েছে।  


   
  আয় করুন প্রতিদিন

আশা করছি আপনারা প্রথম পার্ট পড়েই দ্বিতীয় পার্টে এসেছেন, যদি না পরে থাকেন তাহলে অনুরোধ করবো প্রথম পার্ট টি পড়ে আশার জন্য।

ক্যানভা ডিজাইন কি?

ক্যানভা কি?

ক্যানভা ডিজাইন কি? যদিও ধরে নিচ্ছি আপনারা এর সম্পর্কে পূর্বের আর্টিকেলটি পড়ে ইতোমধ্যে মোটামুটি ধারণা নিয়ে ফেলেছেন। তাও আবার বলছি, “ক্যানভা হলো অনলাইনের মাধ্যমে ইনফোগ্রাফিক্স, গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং যাবতীয় পোস্টিং ডিজাইন করার একটি উন্মুক্ত বিদেশি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে আপনি একাউন্ট খোলার মাধ্যমে নিজের ইচ্ছেমতো টুলস ও ক্যাটাগরি ব্যবহারের দ্বারা সেগুলোকে ডিজাইন করে বিনামূল্যে ডাউনলোড করতে পারার একটি সফটওয়্যার বা অ্যাপ।

আরো পড়ুনঃ      আমাদের আরো লেখা পড়ুন।

ক্যানভা দিয়ে কি গ্রাফিক্স ডিজাইন করা যায়?

তার উত্তর হলো – হ্যাঁ, করা যায়। অনেক ফ্রিল্যান্সার এবং ডিজাইনাররা আছেন যারা ক্যানভা দিয়ে ডিজাইন করে থাকেন। এমনকি তারা এই ক্যানভার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ইমেজ ও টেমপ্লেট তৈরি করে সেটাকে ফেসবুক এবং ইউটিউবেও ব্যবহার করে থাকেন।   

আপনি চাইলে যেকোনো ধরণের পোস্ট ডিজাইন করতে পারবেন, যেমনঃ ফেসবুক পোস্ট, ইন্সটাগ্রাম পোস্ট, টুইটার পোস্ট, লিঙ্কডইন পোস্ট, ভিডিও পোস্ট সহ আরোও অসংখ্য রকমের ডিজাইন।

ক্যানভার ফ্রী ফিচারসে কি কি আছে?

ক্যানভার ফ্রী ভার্সনে সব ধরণের ক্যাটাগরিই আছে, যেমন – টেমপ্লেট, এলিমেন্টস, আপলোডস, ফটোস, ভিডিওস, ব্যাকগ্রাউন্ড সহ আরো অনেক গুলো মেজর ফিচারস আছে যেগুলো আমরা বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারি।

ক্যানভার প্রো ফিচারসে কি কি আছে? এমনিতে ফ্রী ক্যানভাতে যা যা আছে প্রো ক্যানভাতে তা ই আছে, শুধু কিছু কিছু নতুন ফিচারস যুক্ত হয়েছে, যেগুলো ফ্রী ভার্সনে ছিলো না। তাদের মধ্যে একটা হলো “ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভার” অপশন। 

“ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভার” অপশনটি আপনি আপলোডস ক্যাটাগরিতে ক্লিক করলেই পেয়ে যাবেন। এখানে আপনি যেকোনো ছবি আপলোড করে সে ছবিকে সাদা ক্যানভাসে নিয়ে তার ব্যাকগ্রাউন্ড মুছে ফেলতে পারবেন এবং অনেক ধরণের ফিল্টার ব্যবহার করতে পারবেন।

তাছাড়া ক্যানভার বাম দিকে সাইড প্যানেলে মোর ক্যাটাগরি তেও আরোও কিছু অপশন চালু হয়ে যাবে যেগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি প্রো লেভেলের ডিজাইনার হয়ে উঠতে পারবেন।

এই ক্যানভা প্রো ভার্সন টি মূলত টাকা দিয়ে কিনে নিতে হয় বিধায় অনেকেই প্রো ভার্সনটি ব্যবহার করে না। যতটুকু সম্ভব ফ্রী ভার্সন দিয়েই কাজ চালিয়ে নেয়ার চেষ্ঠা করে। কিন্তু আপনি কিভাবে একদম বিনামূল্যে ক্যানভার প্রো ভার্সন পেয়ে যেতে পারেন শুধুমাত্র কিছু ট্রিক্স ব্যবহারের মাধ্যমে, সেই ট্রিক্স সম্পর্কে আরেকদিন ফ্রীতে ক্যানভার প্রো ভার্সন কিভাবে পাবো এই আর্টিকেলে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করবো।

আরো পড়ুনঃ      আমাদের আরো লেখা পড়ুন।

ক্যানভা দিয়ে কি কি কাজ করা যায়?

তার উত্তর হলো ক্যানভা দিয়ে এমন অসংখ্য কাজ করা যায়, যার দ্বারা আপনি ফাইভার – আপওয়ার্কের মতো ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মে কাজ করার মাধ্যমে আয় করতে পারবেন। 

আসুন তবে জেনে নিই কোন কোন কাজগুলো ক্যানভা দিয়ে করা যায় –

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যানার

ক্যানভার মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন ধরণের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যানার তৈরি করতে পারবেন, ফেসবুক কভার ফটো, ইন্সটাগ্রাম সাইজ ফটো, পিন্টারেস্ট সাইজ ফটো, লিংকড ইন সাইজ ফটো সহ বিভিন্ন ধরণের পোস্টারও আপনি তৈরি করতে পারবেন। এই ডিজাইনগুলো আপনি প্রিমেইড টেমপ্লেট ব্যবহারের দ্বারা খুব কম সময়ের মধ্যে আপনি নিজের জন্য একটা ব্যানার বা পোস্ট কাস্টমাইজ করে ফেলতে পারেন। 

ভিজিটিং কার্ড ডিজাইন

ক্যানভা দিয়ে চাইলে আপনি ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক প্রয়োজনেও ভিজিটিং কার্ড ডিজাইন করে বানিয়ে ফেলতে পারবেন। আপনাকে শুধু সাইজ টা সিলেক্ট করে “টেমপ্লেট ক্যাটাগরি” তে গিয়ে ভিজিটিং কার্ড লিখে সার্চ করলেই অসংখ্য প্রিমেইড টেমপ্লেট চলে আসবে। আপনি আপনার ইচ্ছামতো ডিজাইন বাছাই করে এবং সেটাকে কাস্টমাইজ করে আপনার নিজের বা ব্যবসায়িক একটা ভিজিটিং কার্ড বানিয়ে ফেলতে পারবেন। 

লগো ডিজাইন


ক্যানভা দিয়ে লগো ডিজাইনও করা যায়। আপনি যদি ফ্রিল্যান্সার বা ডিজাইনার হয়ে থাকেন তাহলে ক্যানভা দিয়ে অতি সহজে কোনো রকম ঝামেলা ছাড়াই একটি মান সম্মত লগো তৈরি করে ফেলতে পারবেন। লগো ডিজাইন করেও অনেক ফ্রিল্যান্সাররা অনেক টাকা ইনকাম করছেন।

আরো পড়ুনঃ Canva ডিজাইন কি এবং কিভাবে ব্যবহার করবেন ?


মার্কেটিং পোস্টার তৈরি

ধরুন, আপনি ফেসবুকে বা ইন্সটাগ্রামে অথবা যেকোনো অফলাইন প্রক্রিয়ায় আপনার বা আপনার ক্লায়েন্টের কোনো পণ্যের প্রচারণার জন্য পোস্টার তৈরি করতে চাচ্ছেন, তখন আপনি একদম নিশ্চিন্তে ক্যানভার মাধ্যমে উক্ত পোস্টারগুলো ডিজাইন করে ফেলতে পারেন। 

ইনফোগ্রাফিক্স পোস্ট তৈরি

ক্যানভা সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত ইনফোগ্রাফিক্সের জন্য। ইনফোগ্রাফিক্স হলো এমন একটি ডিজাইন যেখানে একটি পোস্ট বা ডিজাইনের মধ্যে গ্রাফিক্সের পাশাপাশি ইনফরমেশনও থাকবে। অর্থাৎ, একটা গ্রাফিক্স এর পাশে টেক্সটের মধ্যে উক্ত গ্রাফিক্সটি যে বিষয়ের উপর বানানো হয়েছে সে বিষয় সম্পর্কিত তথ্য দেওয়া থাকবে। এটার মাধ্যমেও অনেক ক্রিয়েটিভ ডিজাইন বানানো সম্ভব।

অ্যানিমেটেড মিম পোস্ট তৈরি

অ্যানিমেশনের ফটো দিয়ে কিংবা কোনো গ্রাফিক্সের স্টিকার বসিয়ে তার পাশে কিছু হাস্যকর ক্যাপশন দেয়ার মাধ্যমে মিম পোস্ট বানানো যাবে। যেমন – কোনো কুকুরের বা বিড়ালের গ্রাফিক্স ফটো বা রিয়েল ফটো অথবা অ্যানিমেটেড বা থ্রিডি ফটো বসিয়েও মিম পোস্ট বানাতে পারেন।

ফটোর স্লাইড শো ভিডিও তৈরি

আবার আপনি যদি কোনো প্রেজেন্টশন করার জন্য অথবা কোনো সেমিনার করানোর জন্য অনেকগুলো ছবির সমন্বয়ে একটা ভিডিও বানাতে চান যেটাতে ২ মিনিট অন্তৎ-অন্তর একটা একটা করে ছবি পরিবর্তন হবে। তাহলে আপনি ক্যানভা দিয়ে সুন্দর একটি স্লাইড সো ভিডিও তৈরি করে ফেলতে পারবেন। এক্ষেত্রে স্টুডেন্ট, টিচার, অফিসের কর্মচারী, ফ্রিল্যান্সার বা ডিজাইনার সহ সবাই তাদের প্রেজেন্টেশন তৈরি করতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ      আমাদের আরো লেখা পড়ুন।

ভিডিও ডিজাইন

কোনো বিষয়ের উপর ভিডিও ভিজ্যুয়াল  ডকুমেন্ট তৈরি করতে চাইলে আপনি ক্যানভা দিয়েও সেটা করতে পারেন। তার জন্য স্ক্রীনের বাম দিকে সাইড প্যানেলে গিয়ে ভিডিও ক্যাটাগরি তে যাবেন সেখানে গিয়ে সার্চ বারে যে বিষয়ের উপর আপনার ভিডিও প্রয়োজন সে বিষয় লিখে সার্চ করলেই সেই সম্পর্কিত অসংখ্য শর্ট ভিডিও চলে আসবে এবং আপনি সেগুলোর থেকে পছন্দমতো ভিডিও সিলেক্ট করে সাদা ক্যানভাসে এনে সেটাকে নিজের মতো করে ইডিট করতে পারেন।

এই ধরণের ছোট খাটো ভিডিও সাধারনত কোনো এড বা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার/পোস্টের জন্য তৈরি করা হয়। এক্ষেত্রে বড় ধরণের কোনো ভিডিও কিন্তু আপনি ক্যানভার দ্বারা ইডিট করতে পারবেন না। 

 আয় করুন প্রতিদিন

ক্যানভা ডিজাইন শিখে কিভাবে অনলাইন এ আয় করার যায় ?

বর্তমানে ক্যানভা দিয়ে অনেক ধরণের ডিজাইন করা যায় বিধায় অনেক ফ্রিল্যান্সার এবং ডিজাইনাররা তাদের ছোট খাটো কাজ থেকে শুরু করে প্রায় সব ধরণের কাজই এর দ্বারা করে থাকেন। আর এসব কাজ মূলত ফাইভার বা আপওয়ার্কের মতো ফ্রিল্যান্সিং জব সেক্টর গুলোতে পাওয়া যায়। 

আপনি চাইলে যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের সোশ্যাল মিডিয়া এন্ড মার্কেটিং ম্যানেজার হিসেবে নিযুক্ত হতে পারেন। আপনি আপনার ক্লায়েন্টের প্রতিষ্ঠানের প্রচারণার কাজের দায়িত্ব নিতে পারেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টের মাধ্যমে মার্কেটিং করতে পারেন, আপনার ক্লায়েন্ট বা প্রতিষ্ঠানের হয়ে তাদের ওয়েবসাইটে ব্লগ বা আর্টিকেল লিখতে পারেন।

তাছাড়া ক্যানভা তে ডিজাইনকৃত নিজস্ব ডিজাইন ও বিক্রি করা যায়। আবার আপনি চাইলে অনলাইনে ক্যানভা দিয়ে কিভাবে ডিজাইন করতে হয় সে বিষয়ে ক্লাস করিয়ে ইনকাম করতে পারেন এবং সেই ক্লাসের ভিডিও ইউটিউবে টিউটোরিয়াল হিসেবে আপলোড করে সেখান থেকেও ইনকাম করতে পারেন। 

 আয় করুন প্রতিদিন

আপনি ক্যানভা প্রো পেতে আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে জয়েন করুনঃ

এখানে ক্লিক করুন


তো আশা করছি আপনাদের কে ক্যানভা সম্পর্কিত সকল ধারণা এবং প্রশ্নের উত্তর দিতে সমর্থ হয়েছি। এরপরেও যদি কোনো প্রশ্ন থেকে থাকে তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন এবং এই পোস্ট টা কে দয়া করে ফেসবুকে আপনার ওয়ালে শেয়ার করে আপনার বন্ধু এবং শোভাকাঙ্ক্ষীদের জানতে সাহায্য করতে পারেন।  ধন্যবাদ…!!!

Canva ডিজাইন কি এবং কিভাবে ব্যবহার করবেন ?


বর্তমান ডিজিটাল যুগে আমরা সবাই প্রায় গ্রাফিক্স ডিজাইনের উপর নির্ভরশীল। গ্রাফিক ডিজাইনের ক্ষেত্র সব কিছুই অন্ধকার থেকে প্রকাশ্যে পৌঁছানোর জন্য প্রয়াস্য। পাঠয়োগ্রাফি থেকে শুরু করে খবরপত্র, ফ্লায়ার, আমন্ত্রণপত্র, বিবাহের আমন্ত্রণ, টিকিট, ম্যাগাজিন, পোষাক, জুতা এবং কম্পিউটার স্ক্রিনের ডিজাইন সবই গ্রাফিক্স ডিজাইনের আওতাধীন। তবে প্রযুক্তির আবিষ্কার হওয়ার আগে এই বিষয়গুলি সত্যিকারে দৃশ্যমান রূপে আনা এবং একে সত্যে দৃশ্যমান করতে কিছু বাধা ছিল।


                                            আমাদের আরো লেখা পড়ুন।



উল্লেখযোগ্য পণ্যগুলির ডিজাইন করার জন্য একাধিক উপায় আছে, যেমনঃ ফটোশপ, ফিগমা, ইল্যুস্ট্রেটর ইত্যাদি গ্রাফিক ডিজাইন সম্পর্কিত সরঞ্জাম ব্যবহার করা। কিন্তু আমরা আজ একটি পৃষ্ঠান্তর বা গ্রাফিক ডিজাইন

সফটওয়্যার নিয়ে কথা বলব। আমরা উপরে আলোচনা করব যে কোনও পূর্ববর্তী গ্রাফিক ডিজাইনের বিষয়ে। আমরা আজ যে সফটওয়্যারটি নিয়ে কথা বলব তার নাম “ক্যানভা"


“ক্যানভা কি? বা ক্যানভা ডিজাইন কি?

ক্যানভা দিয়ে কিভাবে ডিজাইন করব? ক্যানভা দিয়ে গ্রাফিক্স ডিজাইন করা যায় কি না?” আজকেসকল প্রশ্নের উত্তর দিবো এই আর্টিকেলে। তার সাথে “কিভাবে ক্যানভা একাউন্ট খুলতে হয়, ক্যানভা টুলসের ব্যবহার, ক্যানভার ফ্রি ফিচারস এন্ড প্রো ফিচারস এর ব্যবহার, ক্যানভা দিয়ে কি কি কাজ করা যায়? এবং ক্যানভা দিয়ে ডিজাইন করে ইনকাম করা যায় কি না?” সহ সকল ধরণের খুঁটিনাটি সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করবো।  

তাহলে আসুন শুরু করা যাক, প্রথমেই আমরা জানব কিভাবে ক্যানভা একাউন্ট খুলতে হয়। ক্যানভাতে একাউন্ট খোলতে শুধু ইমেইল আইডি ছাড়া আর তেমন কিছুর প্রয়োজন পড়ে না।  

আমাদের আরো লেখা পড়ুন।

কিভাবে ক্যানভা একাউন্ট খোলতে হয়?

ক্যানভাতে একাউন্ট খুলতে হলে প্রথমেই আপনাকে গুগলে গিয়ে canva.com লিখে সার্চ করতে হবে। তারপর গুগল আপনাকে ক্যানভার মেইন পেইজে নিয়ে যাবে, সেখানে দেখতে পারবেন সাইটের উপরের কর্নারে ডানপাশে দুইটা অপশন আছে। একটি হলো Sign Up এবং অপরটি হলো Log in আপনার যেহেতু একাউন্ট খোলা নেই সেহেতু আপনি লগ ইনে ক্লিক না করে সাইন আপে ক্লিক করবেন।

তারপর সেখানে আপনার নাম, জিমেইল আইডি এবং একটা মনে রাখার মতো পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইন ইনে ক্লিক করে দিন, ব্যাস…! আপনার একাউন্ট তৈরি। এখন আপনি যত খুশি যেভাবে খুশি ডিজাইন করতে পারেন।

ক্যানভা ডিজাইন পরিচিতি

ড্যাশবোর্ডে যখন ঢুকবেন সেখানে অনেক গুলো ফিচার পাবেন, যেমনঃ ফেসবুক পোস্ট ডিজাইন, ইন্সটাগ্রাম পোস্ট ডিজাইন, ব্যানার ডিজাইন, লগো ডিজাইন, ভিডিও পোস্ট ডিজাইন সহ আরো অনেক ক্যাটাগরি পেয়ে যাবেন। তাছাড়া আপনি চাইলে নিজের মতো করে কাস্টম সাইজ ডিজাইন করতে পারেন।

আপনি যেকোনো একটি ক্যাটাগরিতে ঢুকলে প্রথমেই কতকগুলো জিনিস স্ক্রীনের সামনে ভেসে উঠবে। সেগুলোর মধ্যে একটা হলো সাদা ক্যানভাস যেখানে আপনি আপনার ডিজাইন করবেন, এর বাম পাশে থাকবে কিছু সাইড প্যানেল। যেগুলো আপনাকে ইতোমধ্যেই অনেক টেমপ্লেট, ফিচার, টেক্সট ও স্টিকার গ্রাফিক্স সাজেস্ট করছে। এখান থেকেই আপনি আপনার প্রয়োজনীয় সকল জিনিস পেয়ে যাবেন।

টেমপ্লেট সেকশনের ব্যবহার

এই সেকশনে হাজার হাজার ফ্রী টেমপ্লেট আছে যা আপনাকে সাজেস্ট করবে সাদা ক্যানভাসটি তে ব্যবহার করার জন্য। আপনি চাইলে সেখান থেকে যেকোনো টেমপ্লেট নিয়ে একটি ডিজাইন করে ফেলতে পারেন, অথবা আপনি চাইলে সেই টেমপ্লেটটা কে পরিবর্তন করতে পারেন বা নিজের মতো আরোও কিছু জিনিস এড করে বা রিমোভ করে সাজাতে পারেন। আরোও কিছু জিনিস এড করতে হলে আপনাকে যেতে হবে এলিমেন্ট সেকশনে।

এলিমেন্ট সেকশনের ব্যবহার

এলিমেন্ট সেকশনেই বেশিরভাগ জিনিস থাকে যেগুলো আমরা ডিজাইনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করে থাকি। যেমনঃ লাইনস ও সেইপ, গ্রাফিক্সস, স্টিকারস, ফটোস, মিনি ভিডিওস, অডিওস, চার্টস, ফ্রেমস, টেবলস, গ্রীডস সহ আরোও অনেক এলিমেন্টস আছে যেগুলো প্রত্যেকটা ডিজাইনের ক্ষেত্রেই প্রয়োজন পড়ে।  

ধরুন, আপনার একটা সোজা দাগ কাটার দরকার তখন আপনি লাইন্স ও সেইপ থেকে একটা লাইন ড্রাগ করে এনে ড্রপ করে দিতে পারেন। অথবা আপনি একটা ব্র্যান্ডের লগো বা স্টিকার ব্যবহার করতে চাচ্ছেন, সেক্ষেত্রে আপনি গ্রাফিক্সস অপশন থেকে নাম লিখে সার্চ করে ড্রাগ এন্ড ড্রপ করে বসিয়ে দিতে পারেন।

আবার আপনি চাচ্ছেন এমন কিছু গ্রাফিক্স যা নড়াচড়া করবে, তাহলে আপনি চলে যাবেন স্টিকারস অপশনে। ওখানে গিয়ে আপনি যে স্টিকার ব্যবহার করতে চাচ্ছেন তা সার্চ বারে লিখে সার্চ করলেই অসংখ্য ফ্রী এবং প্রো স্টিকারস আসবে, আপনি আপনার পছন্দ মতো কাঙ্ক্ষিত স্টিকারটি বেছে নিবেন।

এরপর বাকি গুলো আপনি দেখেই বুঝে যাবেন যে কোনটা কি কাজ করে। টেবিলস ও চার্টের অপশনগুলো এতোটাও কঠিন না। আপনি আপনার প্রয়োজন মতো চার্ট, টেবিল ও ফ্রেমস নিয়ে নিবেন এবং পছন্দ মতো কালার দিয়ে সেটাকে নিজের মতো করে ডিজাইন করতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ কিভাবে ক্যানভা থেকে ইনকাম করবেন।

আপলোডস সেকশনের ব্যবহার

আপলোড সেকশন তখনই ব্যবহৃত হয় যখন কোনো ছবি, স্টিকার, অডিও, ভিডিও, গ্রাফিক্স বা আপনার ছবি সেই ক্যানভা টুলে না থাকে। তখন আপনি গুগল থেকে, ইউটিউব থেকে অথবা আপনার ল্যাপটপ বা কম্পিউটার থেকে কাঙ্ক্ষিত বস্তুটি ডাউনলোড করে সেটা আপলোড ফাইলে আপলোড করার মাধ্যমে ডাউনলোডকৃত বস্তুটিকে ড্রাগ এন্ড ড্রপ করে আপনার ডিজাইনের আওতায় অর্থাৎ সাদা ক্যানভাসে নিয়ে আসতে পারেন।

এক্ষেত্রে এই সেকশনটি অনেকের কাছেই প্রিয়, কারণ তারা তাদের নিজস্ব কিছু সেখানে আপলোডের মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারে এবং তাও আবার প্রফেশনালি ভাবে। আপনি এখানে ইচ্ছেমতো আপনার ছবি, গ্রুপ ছবি, ভিডিও, অডিও ইত্যাদি আপলোড করে সেটাকে ইডিট করতে  পারেন।

ফটোস এন্ড ভিডিওস অপশনের ব্যবহার

ধরুন, আপনি একটা ডিজাইন করতে গিয়ে ফটো বা ছবির প্রয়োজন পড়ল এবং সেটা একটা ফুলের ছবি। তখন আপনি ফটোস অপশনে গিয়ে সার্চ বারে ফ্লাওয়ারস লিখে সার্চ করলে অসংখ্য ফুলের ছবি পেয়ে যাবেন। সেখান থেকে আপনার পছন্দ মতো ফুলের ছবিটি বেছে নিন।

আবার ধরুন, আপনার একটা ছোট্ট ভিডিওর প্রয়োজন পড়ল আর সেটা হলো বাঘ সম্পর্কিত একটা ভিডিও। তখন আপনি ভিডিওস অপশনে যাবেন এবং সার্চ বারে গিয়ে টাইগারস লিখে সার্চ করলেই বাঘ রিলেটেড অসংখ্য মিনি ভিডিওস চলে আসবে। তখন আপনি আপনার চাহিদা মোতাবেক ভিডিও বাছাই করে ড্রাগ এন্ড ড্রপ করে ডিজাইন করতে পারেন।

টেক্সট এন্ড ব্যাকগ্রাউন্ড এর ব্যবহার

প্রায় প্রত্যকটা ডিজাইনেই টেক্সটের প্রয়োজন পড়ে। কোনো কিছু লিখতে গেলে টেক্সট অপশন থেকে একটি টেক্সট বক্স এনে সেটাতে নিজের লিখা বসিয়ে দিতে পারেন। তারপর সেই লিখাকে বোল্ড, ইটালিক  বা আন্ডারলাইন্ড করতে পারেন, টেক্সটের কালার চেইঞ্জ করতে পারেন, টেক্সটের ফন্ট চেইঞ্জ করতে পারেন এবং সেই টেক্সটের উপর নানা রকম ইফেক্টও ব্যবহার করতে পারেন।

সাধারনত যারা ক্রিয়েটিভ কিছু ডিজাইন করতে চায় তারাই বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ব্যাকগ্রাউন্ড অপশন টি বেছে নেয়। এই অপশনে নানা রকম ব্যাকগ্রাউন্ড কালার আছে, নানা রকম গ্র্যাডিয়েন্ট কালারও আছে এবং বিভিন্ন ধরণের সাইজ ও ইউনিক ডিজাইনের ব্যাকগ্রাউন্ড আছে যেগুলো আপনি আপনার ডিজাইনের ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে পারবেন। এতে করে আপনার পরিশ্রম কমে যাবে। 

মোর এন্ড আদারস অপশনের ব্যবহার

সাইড প্যানেলে সবচেয়ে নিচের অপশনটা হলো মোর অপশন। এখানে আপনি আরোও হিডেন কিছু ক্যাটাগরি পাবেন যেগুলোর দ্বারা আপনার ডিজাইনকে আরোও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারবেন। সেই ক্যাটাগরিগুলো কিভাবে ব্যবহার করতে হয় সেটা আপনি ওপেন করার সাথে সাথেই বুঝে যাবেন।

সব সাইড প্যানেলের ব্যবহার সম্পর্কে তো জানা হয়ে গেলো, এবার আসুন আরোও কিছু ছোটখাটো জিনিস সম্পর্কে জেনে নিই। ধরুন, আপনি ডিজাইন করার সময় একটা এলিমেন্ট ভুলে ডিলিট করে দিলেন সেটাকে ফিরিয়ে আনতে আমরা সাধারনত Ctrl + Z ব্যবহার করি, কিন্তু এখানে অন্যভাবেও ফিরিয়ে আনা যায়। সেটা হলো স্ক্রীনের উপরে বাম পাশে হোম ও ফাইল অপশনের পাশে দুইটা বাকানো তীর চিহ্ন আছে যেগুলোর একটাকে বলা হয় Undo এবং অপরটিকে বলা হয় Redo।

তাছাড়া আপনি আপনার লিখা কোনো টেক্সটকে লিস্টেড করতে পারেন, স্প্যেসিং বা এলাইনমেন্ট এর পজিশন ঠিক করতে পারেন। এই সবগুলো অপশন সাদা ক্যানভাসের ঠিক উপরে পেয়ে যাবেন। ওখানেও একটা থ্রী ডটেট (…) মোর অপশন পাবেন সেখানে ক্লিক করলে এর ভিতর আরোও কিছু হিডেন অপশন পাবেন যেগুলোর মধ্যে একটা হলো ট্রান্সপারেন্সি। এটা আপনার যেকোনো ডিজাইনের এলিমেন্টের দৃশ্যমানতা বাড়াতে কমাতে সাহায্য করবে। 

হিডেন ক্যাটাগরির আরেকটি হলো পজিশন অপশন। এই অপশনটি যেকোনো ডিজাইনের ক্ষেত্রে অবশ্যই কাজে লাগে। ধরুন, আপনি চাচ্ছেন একটা এলিমেন্ট কে অপর একটা এলিমেন্টের উপরে বা নিচে রাখতে, তখন সেই এলিমেন্ট কে সিলেক্ট করে পজিশন অপশনে গিয়ে সেটাকে ফরোয়ার্ড এর মাধ্যমে উপরে, ব্যাকওয়ার্ড এর মাধ্যমে নিচে এবং মিডল-লেফট-রাইট এর মাধ্যমে উক্ত এলিমেন্টের পজিশন চেইঞ্জ করতে পারবেন। 

ডাউনলোডের কি অপশন ব্যবহার করবেনঃ

এবার আসা যাক আমাদের শেষ পর্বে, অর্থাৎ ডাউনলোড অপশনে। আপনি এতোক্ষন যা যা ডিজাইন করলেন তা আপনার মোবাইলের স্টোরেজে বা ল্যাপটপ/কম্পিউটার ডিভাইসে সেভ করার জন্য ডাউনলোড করতে হবে। তার জন্য আপনি উপরে ডান দিকে কর্নারে শেয়ার অপশন দেখতে পাবেন, সেখানে ক্লিক করলে ডাউনলোড বাটন আসবে এবং সেখানে ক্লিক করার সাথে আপনার ডিজাইনের পেইজ শো করবে, ডিজাইনের পেইজটি সিলেক্ট করে সেটা আপনার ইচ্ছামতো  PNG, SVG, JPG, Gif, PDF File বা MP4 Video তে কনভার্ট করে ডাউনলোড করতে পারবেন।

এছাড়াও ঐ ডাউনলোড অপশনে আরোও অনেকগুলো অপশন পাবেন। যেমনঃ ডিজাইনের লিংক শেয়ার করতে পারবেন, এখান থেকে ডিরেক্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় বা ওয়েবসাইটে পোস্ট করতে পারবেন, ডিজাইনের ইমেজ কপি করতে পারবেন এবং এর QR Code সংগ্রহ সহ আরোও অনেক অপশন পাবেন ডিজাইনের আউটপুটের জন্য। 

তো এই ছিলো আজকের আয়োজন। ক্যানভা দিয়ে কিভাবে ডিজাইন করবেন, ক্যানভা টুলসের ব্যবহার, ক্যানভা দিয়ে গ্রাফিক্স ডিজাইন করা যায় কিনা সহ সকল প্রশ্নের উত্তর। কিন্তু আরোও প্রশ্ন কিন্তু রয়েই গিয়েছে, সেই প্রশ্নগুলোর সম্পর্কে এই আর্টিকেলের পার্ট ২ এ আলোচনা করবো, কারণ এই আর্টিকেলটি এমনিতেই অনেক বড় হয়ে গিয়েছে।

আপনি ক্যানভা প্রো পেতে আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে জয়েন করুনঃ

এখানে ক্লিক করুন

  তো ক্যানভা ডিজাইন কি, এর ব্যবহার ও আয় (পার্ট ২) পড়তে আমাদের সাইটেই চোখ রাখুন এবং ততোক্ষন পর্যন্ত ভালো থাকুন সুস্থ্য থাকুন, সকলে ধন্যবাদ।

আরো পড়ুনঃ কিভাবে ক্যানভা থেকে ইনকাম করবেন।